বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসে হোলি নিয়ে বাড়তি সতর্কতা

নিজস্ব প্রতিবেদক, আগরতলা : বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের বাড়বাড়ন্তে হোলি নিয়ে বাড়তি সতর্কতা দেখা যাচ্ছে ঘরে ঘরে। অনেকেই এবার হোলি খেলা থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্তও নিচ্ছেন। হোলির ধর্মীয় অনুষঙ্গের কোনও যোগ নেই। এ হল নিতান্তই ঋতু-উৎসব। সবার রঙে রং মিশাবার এক পরম নন্দন-প্রবর্তনাময় উপলক্ষ।

বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড়-মাঝারি মাপের বসন্তোৎসব পালন করা হয়েছে। মুখোশ পরেও দোল খেলতে দেখা গিয়েছে অনেককে। তার বাইরেও চিরাচরিত রীতি মেনে পাড়ায় পাড়ায় পরিচিত-অপরিচিতকে রাঙিয়ে দিয়েছেন মানুষজন। কচিকাঁচা, জোয়ান, বৃদ্ধ নির্বিশেষে উৎসবে মেতেছেন। পথেঘাটেও রং খেলেছেন মানুষ। শহরতলিতেও চলেছে দেদার রং খেলা।

গত কয়েক বছরে শীত পেরোতে না-পেরোতেই গ্রীষ্মের হাজিরা মালুম হচ্ছিল। ঋতুচক্র থেকে বসন্ত পাকাপাকি ভাবে বিদায় নেবে কি না, সেই বিষয়েও জল্পনা ছিল আবহবিজ্ঞানী ও পরিবেশবিদদের মধ্যে। কেউ কেউ বলছিলেন, বিশ্ব উষ্ণায়নের জেরে জলবায়ু বদলে যাচ্ছে। তার ফলেই হেমন্ত ও বসন্তের মতো ঋতুগুলি মালুম হচ্ছে না। তা হলে এ বার বসন্ত মালুম হল কেন? আবহবিদদের একাংশের মতে, এ বার দোল পড়েছে মার্চের গোড়ায়।

তার উপরে এ বার শীত বিদায় নিলেও উত্তুরে হাওয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। ফলে শিরশিরে হিমেল ভাব অনুভূত হচ্ছে। সব  মিলিয়ে রঙের উৎসবে রঙিন হওয়ার দিনে মাতোয়ারা রাজ্যের প্রত্যেক্যেই। এই দৃশ্যই পরিলক্ষিত হল মঙ্গলবার শহরজুড়ে। তবে সমস্ত দিকে নজর রেখেছিল আরক্ষা প্রশাসন। সব মিলিয়ে বসন্তের ফাগে নিজেকে রাঙিয়ে নেওয়ার এই উৎসব ঘিরে উৎসাহ দেশের বিভিন্ন কোণে। মনের কালো রঙ কিম্বা একঘেয়েমির ধূসর রঙ দূর করে মঙ্গলবার রঙের উৎসবে সামিল হয় আবাল বৃদ্ধ বনিতা।